যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওষুধের দাম কমানো ও শুল্ক এড়াতে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ওষুধ কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকার সঙ্গে চুক্তি করেছেন। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রের নিম্নআয়ের মানুষের সরকারি স্বাস্থ্যকর্মসূচি মেডিকেডে ছাড়ে কিছু ওষুধ বিক্রি করবে। এর বিনিময়ে কোম্পানিকে শুল্ক ছাড় দেয়া হবে। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
হোয়াইট হাউসে এক ঘোষণায় ট্রাম্প জানিয়েছেন, বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দামে ওষুধ কিনছে। এবার সেই বাস্তবতা বদলাতে চান তিনি।
ট্রাম্পের দাবি, এ চুক্তির মাধ্যমে ওষুধের দাম বিশ্বের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামানো সম্ভব হবে। ট্রাম্প একে ‘সবচেয়ে সুবিধাজনক দেশভিত্তিক মূল্যনীতি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
চুক্তির আওতায় অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভবিষ্যতের নতুন ওষুধের ক্ষেত্রেও একই নীতি অনুসরণ করবে। সম্প্রতি ফাইজারের সঙ্গেও একই ধরনের চুক্তি হয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রধান নির্বাহী প্যাসকাল সোরিও। তিনি জানান, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর এ সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, ‘ট্রাম্পআরএক্স’ নামে একটি ওয়েবসাইটে ছাড়মূল্যে ওষুধ সরবরাহ করা হবে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৭ কোটি মানুষ মেডিকেডের আওতায় আছে। তবে মেডিকেয়ার নামের আরেক কর্মসূচি এতে অন্তর্ভুক্ত নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ছাড় সাধারণ মানুষের ব্যয় তেমন কমাবে না। বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রেনা কন্টি বলেন, এটি মূলত কোম্পানিগুলোর জন্য ভালো। কিন্তু সাধারণ আমেরিকানদের জন্য তেমন কার্যকর কিছু নয়।
অর্থনীতিবিদ টিমোথি ম্যাকব্রাইড ট্রাম্পের ‘এক হাজার শতাংশ দাম কমার’ দাবি অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন।